শনিবার ১৭ অক্টোবর ২০২৬ - ১৬:০১
আরাকচি: আমরা আমাদের সাত দিনের পরিকল্পনা জানিয়েছি, এখন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেছেন, কাতারের মাধ্যমে আমরা সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানিয়েছি। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং সাত দিনের মধ্যে স্বাভাবিক নৌচলাচল ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের।

হাওজা নিউজ এজেন্সি রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি শনিবার বাগদাদে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে বক্তব্য দেন। তাঁর বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ নিচে তুলে ধরা হলো।

আরাকচির পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

ইরাক প্রজাতন্ত্রের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব ফুয়াদ মোহাম্মদ হুসেইন,

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিব জনাব ইসমাইল ওলদ শেখ আহমেদ,

মহামান্য ব্যক্তিবর্গ, সম্মানিত নারী ও পুরুষগণ,

প্রথমেই এ বৈঠকের আয়োজন এবং আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য প্রতিবেশী ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ ইরাক প্রজাতন্ত্রের সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ জানাই। এ সম্মেলনের পরিকল্পনা ও আয়োজনের জন্য সংস্থার মহাসচিব এবং সচিবালয়কেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আমরা আনন্দিত যে এমন একটি ভূখণ্ডে একত্রিত হয়েছি, যা প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন সংস্কৃতির পারস্পরিক আদান-প্রদানের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এমন এক সময়ে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি, যখন মুসলিম বিশ্বে ঐক্য ও সংলাপের প্রয়োজন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ইসলামী উম্মাহর অভিন্ন কণ্ঠস্বর তুলে ধরা, সংহতি ও সহযোগিতা জোরদার করা এবং অভিন্ন স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে। আমাদের মধ্যে সংলাপের পথ খোলা রাখা দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং এটি আমাদের দায়িত্ব।

আমাদের সংস্থার সনদ এমন কিছু নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত, যেগুলো জাতিসংঘ সনদের মূলনীতিরও প্রতিফলন। এগুলো হলো রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং শক্তি প্রয়োগের হুমকি কিংবা শক্তি প্রয়োগ থেকে বিরত থাকা।

এসব নীতি কোনো একটি দেশ বা কয়েকটি দেশের জন্য নির্ধারিত নয়; বরং এগুলো আমাদের সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কিন্তু এসব নীতি যদি বেছে বেছে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে সেগুলোর মূল্য ও কার্যকারিতা হারিয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসন

ইরান আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকেছে এবং সে অবস্থানে অবিচল রয়েছে। গত দুই বছর ধরে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বেছে নিয়েছে বিপরীত পথ-আগ্রাসন, হুমকি, হত্যাকাণ্ড ও অর্থনৈতিক যুদ্ধ; আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা দেখিয়ে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনে নারী ও শিশুসহ প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন। আন্তর্জাতিক আইন গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং অন্যান্য শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে।

মিনাবে ১৬০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের শাহাদাত, লামার্দের একটি ক্রীড়াঙ্গনে ক্লাস্টার বোমা হামলা, কেশম দ্বীপের একটি পানি লবণমুক্তকরণ কেন্দ্রে বোমাবর্ষণ এবং সিরিকের কুহেস্তাক এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা-ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধাপরাধের কয়েকটি নথিভুক্ত উদাহরণ মাত্র।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সত্যকে বিকৃত করে এবং ভুক্তভোগী ও আগ্রাসনকারীর অবস্থান অদলবদল করে এসব অপরাধ আড়াল করতে পারবে না।

এই কঠিন দিনগুলোতে ইরানের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশকারী সদস্যদেশগুলোর প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে এ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদেশগুলোর অন্যতম ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর হামলার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার জন্য পুরো সংস্থার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

ইরান তার জনগণ, সার্বভৌমত্ব ও বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে। তবে নিজেদের অধিকার রক্ষা করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। আমরা যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানি, আর ঠিক এ কারণেই শান্তিকে এত বেশি মূল্য দিই।

ইরান কোনো বিশেষ সুবিধা দাবি করছে না। আমরা শুধু চাই, সবার জন্য সমানভাবে অধিকার ও দায়িত্ব প্রয়োগ করা হোক। যুদ্ধক্ষেত্রে এ সমস্যার সমাধান হবে না। ধ্বংসের হুমকি দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যায় না।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও নৌচলাচল পুনরুদ্ধার

ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচলের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ জলপথটি আমাদের বহু সদস্যদেশের জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও নিরাপদ ছিল।

এরপর থেকে নৌচলাচলে অনিরাপত্তা ও বিঘ্নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর আগ্রাসী পদক্ষেপই সরাসরি দায়ী।

আগের ভুল ও অপরাধের পুনরাবৃত্তি করে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। কোনো দেশকে বোমা হামলা করে ধ্বংসের হুমকি দেওয়া এবং অবরোধ আরোপ করার পর আবার আশা করা যায় না যে নৌচলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বাস্তবে কূটনীতি সফলতার দিকে এগোচ্ছিল। পাকিস্তানের শুভ উদ্যোগ এবং কাতারের সমর্থনে-যারা উভয়েই এ সংস্থার সদস্য-ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ১৭ জুন ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে।

এর পঞ্চম ধারার ভিত্তিতে ইরান নিরাপদ জাহাজ চলাচল সহজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। আমরা অবিলম্বে এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য ওমানের সঙ্গে কারিগরি আলোচনা শুরু করি।

মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল যুদ্ধপূর্ব অবস্থার প্রায় ৬০ শতাংশে ফিরে আসে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা পদক্ষেপ ও সামরিক আগ্রাসন এ সমঝোতা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করে। সমঝোতায় নির্ধারিত বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থাও উপেক্ষা করা হয়।

গত দুই বছর ধরে ইরান সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই কূটনীতির পরিবর্তে আমাদের সামরিক হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। ফলে বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তা ছাড়া পুনরায় আলোচনা শুরু করার বিষয়ে গভীর অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে যাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

তা সত্ত্বেও ইরান আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে। কাতারের মাধ্যমে আমরা সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানিয়েছি। আমরা বলেছি, প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ হলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব এবং সাত দিনের মধ্যে স্বাভাবিক নৌচলাচল ফিরিয়ে আনা যাবে।

এখন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।

ফিলিস্তিন: ইসলামী বিশ্বের প্রধান ইস্যু

ফিলিস্তিনের অধিকার ও মুক্তির প্রশ্ন এখনো ইসলামী বিশ্বের প্রধান ইস্যু। এ মৌলিক বিষয়টি উপেক্ষা করে শান্তির কথা বলা যায় না।

ফিলিস্তিন আজও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিবেকের ওপর এক গভীর ক্ষত। গাজা গণহত্যা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ব্যর্থতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। কয়েক ডজন প্রস্তাবও দখলদারত্ব ও সহিংসতার অবসান ঘটাতে পারেনি।

ফিলিস্তিনি জনগণের অব্যাহত দুর্ভোগ, ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠীর হাতে নিরপরাধ মানুষের হত্যাকাণ্ড এবং পবিত্র জেরুজালেম ও সেখানকার পবিত্র স্থানগুলোর বিরুদ্ধে হুমকি-এসব বিষয় আমাদের সবাইকে উদ্বিগ্ন করা উচিত।

ইরান ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে রয়েছে। আমরা ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ও এর সব সদস্যদেশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যেন তারা হত্যাকাণ্ড ও অবরোধ বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকারের পক্ষে সমর্থনকে অভিন্ন অগ্রাধিকারে পরিণত করে।

এ অগ্রাধিকারের পক্ষে শুধু বক্তব্য নয়, বাস্তব ও সমন্বিত পদক্ষেপও গ্রহণ করতে হবে।

ইয়েমেনের সংকটের সামরিক সমাধান নেই

ইয়েমেনের জনগণ প্রায় এক দশক ধরে বিধ্বংসী যুদ্ধ, দীর্ঘস্থায়ী ও অবৈধ অবরোধ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সহ্য করে আসছে।

ইয়েমেনের জনগণের ওপর দুর্ভোগ চাপিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। এর ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয় বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকটগুলোর অন্যতম। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হলেও এসব অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ইরানের অবস্থান স্পষ্ট ও অপরিবর্তিত। আমরা ইয়েমেন ও সৌদি আরব-উভয় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা, ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সমর্থন জানাই।

আমরা মনে করি, ইয়েমেনের সংকট সমাধানের একমাত্র বাস্তবসম্মত ও টেকসই পথ হলো একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সর্বব্যাপী রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।

সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি, জবরদস্তি, ভীতি প্রদর্শন কিংবা ইয়েমেনের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে বাদ দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

আঞ্চলিক সংকটগুলোর সামরিক সমাধান নেই। রাজনৈতিক সমাধান উপেক্ষা করে সামরিক পদ্ধতির ওপর জোর দিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।

আরব উপদ্বীপের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে ইরান গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পূর্বে সম্মত শান্তির রূপরেখার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপ সহজ করতে ইরান যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত।

ইয়েমেনের জনগণের অধিকার রয়েছে মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করার-চাপ, নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ থেকে মুক্ত থেকে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সম্মিলিতভাবে

কোনো রাষ্ট্র অন্যদের নিরাপত্তা বিসর্জন দিয়ে নিজের জন্য স্থায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না।

আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের অঞ্চলের সমস্যাগুলোর সমাধান এ অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিজেদের মধ্যে করতে হবে, যাতে এসব সমস্যা দূরবর্তী শক্তিগুলোর ক্ষমতার লড়াইয়ের অজুহাতে পরিণত না হয়।

একই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আমরা মনে করি, এ অঞ্চলের প্রতিটি দেশের ভূখণ্ড, আকাশসীমা ও অবকাঠামো কেবল আঞ্চলিক নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা উচিত। কখনোই সেগুলোকে প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

আমরা ভ্রাতৃত্ব ও সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের চেতনা থেকে এ কথা বলছি। আমাদের জনগণ একই অঞ্চলে বসবাস করে এবং একই ভবিষ্যতের অংশীদার।

আমাদের সামনে পছন্দটি খুবই স্পষ্ট: হয় আমরা একসঙ্গে নিরাপত্তা গড়ে তুলব, নয়তো একসঙ্গেই অনিরাপত্তার পরিণতি ভোগ করব।

প্রথম পথটি বাস্তবায়নের জন্য ইরান তার সব ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ ও প্রতিবেশীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

ইরান জবরদস্তি, হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন মেনে নেবে না এবং চাপের মুখে নিজের সার্বভৌম অধিকার ত্যাগ করবে না। তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসযোগ্য নিশ্চয়তার ভিত্তিতে সংলাপে অংশ নিতে আমরা এখনো প্রস্তুত।

আবারও আতিথেয়তার জন্য ইরাককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ইসলামী উম্মাহর ঐক্য, শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় এ বৈঠক সফল হোক-এই কামনা করছি।

আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

Tags

আপনার কমেন্ট

You are replying to: .
captcha